বগুড়া প্রতিনিধি: চাঁন মিয়া মন্ডল
আইন বিভাগের অধীনে এলএলবি এবং এমএলএম প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা ১৬ সালে ভর্তি হলেও আজ পর্যন্ত তাদের শিক্ষা সনদ দিতে পারেনি পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বগুড়ার কর্তৃপক্ষরা।
বুধবার সকালে শহরের ঐতিহাসিক সাতমাথায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে প্রতারনার স্বীকার হওয়া শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা রাস্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, আমাদের বাবা- মার কষ্টের উপার্জিত টাকা কর্তৃপক্ষ লুটপাট করে খাচ্ছে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক এনওসি নেই। ইউজিসি কর্তৃক পাঠদানের অনুমোদন নাই। কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হলেও সমস্যা সমাধানের নামে সময় ক্ষেপন করছে।
শিক্ষাথীরা দাবি করে বলেন, ২০ সালের ২২ মার্চ ইউজিসি ওয়েব সাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন ব্যতিত অবৈধভাবে আইন বিভাগ পরিচালনা করে আসছে।

মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরন করতে পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষকে আলটিমেটাম দিলেন বগুড়া পৌর সভার স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল মান্নান আকন্দ।শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের জন্য টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরাকে দায়ি করে এই নেতা বলেন, মদের ব্যবসা করবেন আর শিক্ষার্থীদের জিবন নিয়ে টানাটানি করবেন তা হতে দেয়া হবেনা।
আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী নুর আফরোজ বিথী, সাদিয়া আক্তার, স্বর্না খাতুন, ওবায়দুল হাবিব, সাদ্দাম হোসেন, জিবন, মোহাম্মদ সাইফ, অন্তু মন্ডল, মিথিলা খাতুন, সজিব সাহাসহ অনেকেই।
এক/দেড় মাস ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হোসনে আরার সাক্ষাৎ চেয়েও আমরা পাইনি। পরবর্তীতে প্রক্টর আলী হাসান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম আমাদেরকে ধমকা-ধমকি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভার্সিটি থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেন।
গত ১৬ জানুয়ারি আমরা জানতে পারি কর্তৃপক্ষ আইন বিভাগের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে আমাদের নামে মিথ্যা হয়রানি মূলক অভিযোগ সদর থানায় দায়ের করেছে।
শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ৪ বছর মূল্যবান সময় নষ্ট করে শ্রম, অর্থ, দিয়ে আজ আমরা প্রতারিত হয়েছি। আমরা সনদ চাই। মানববন্ধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্বারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।
Discussion about this post