বিডিলনিউজ: যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ প্রতিক্ষিত কমপ্রিহেনসিভ ইমিগ্রেশন রিফর্ম বিল পাস হয়েছে। এ বিল আইনে পরিণত হতে প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদনের প্রয়োজন রয়েছে-যা নিয়ে রয়েছে নানা সংশয়।ওয়ার্ক পারমিট তথা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি নেই-এমন কেউ চাকরি পাবেন না সে নিশ্চয়তার স্বার্থে প্রতিটি কর্মস্থলে বিশেষ প্রযুক্তি অবলম্বন করতে হবে। এ বিল প্রতিনিধি পরিষদের অনুমোদনের পর প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর পেলে কেবলমাত্র তারাই বৈধতার আবেদনের যোগ্য হবেন যারা ২০১২ সালের আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বাস করছেন এবং গুরুতর কোন অপরাধে লিপ্ত হননি। নির্দিষ্ট ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে ওয়ার্ক পারমিটের জন্য এবং সে পারমিট নবায়ন করতে হবে দু’বছর অন্তর। এভাবে ১০ বছর নবায়নের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি গ্রিনকার্ডের আবেদন করবেন। বিলে আরো বলা হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে কেউ বেআইনীভাবে ঢুকতে সক্ষম হচ্ছে না-এমন নিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে বর্ডার পেট্রোল এজেন্টের সংখ্যা ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজারে উন্নীত এবং সীমান্তে ৭০০ মাইল কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে হবে। সিনেটে এ বিলের অন্যতম প্রবক্তা নিউইয়র্কের সিনেটর (ডেমক্র্যাট) চাক শ্যুমার বলেন, ‘১৯৮৭ সালে সর্বশেষ এ ধরনের ইমিগ্রেশন আইন হয়।আমাদের ভঙ্গুর ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে দীর্ঘ ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। এর ফলে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ অবৈধ ইমিগ্র্যান্ট যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ পাবেন।’ বিভিন্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, এর মধ্যে লাখ খানেক বাংলাদেশীও রয়েছেন।
Discussion about this post