সিরাজগঞ্জ জেলা আদালত প্রতিনিধিঃ-
সিরাজগঞ্জ আদালত পাড়ার পরিচিত শ্রেণী যাদের বিজ্ঞ আইনজীবীদের পাশে লাল টাই পরিহিত অবস্থায় অধিকাংশ সময় আবিষ্কার করা যায় একজন লার্নার হিসেবে। তাদের সংখ্যা এখন হাতে গোনা কয়েকজন, যারাও আসছেন তারা আসছেন স্বাভাবিক পোষাকে যেখানে আলাদাভাবে তাদের চিহ্নিত করা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার।
এর বড় কারণ আদালতের চিরাচরিত মাথাব্যথা চিটার টাউট এবং দালাল চক্র যারা আইন অঙ্গনের ন্যায় বিচারকে ব্যহত সহ বিচার প্রার্থীদের করছে হয়রানির স্বীকার। যা আইন পেশার মতন একটি রাজকীয় এবং সমাজের প্রথম শ্রেণীর নাগরিক পেশাকে করছে কলঙ্কিত। এমতাবস্থায় সিরাজগঞ্জ আদালত পাড়ায় এসকল টাউট-বাটপার চিটার, দালাল, নির্মূল করার স্বার্থে বেশ কিছুদিন পূর্বে আদালতে নিয়মিত যাতায়াতরত শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের নাম সহ তাদের ঠিকানা তাদের সিনিয়রদের নাম গ্রহণ করে তাদের সাক্ষাতকারের মাধ্যমে শুধু সেরেস্তা টেবিলে কাজ শেখার নির্দেশ ও পরামর্শ প্রদান করা হয়। রবিবার থেকে শুদ্ধি অভিযানের জন্য আদালত পাড়ায় মাইকিং সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চলবে।
যে বা যে সকল শিক্ষানবিশ আইনজীবী সে সকল কোনরূপ চক্র বা আদালতের মর্যাদা ক্ষুন্ন হতে পারে এমন কাজের সাথে কোনোরূপ জড়িত বা যোগসাজশ নাই তাদেরও হতে হচ্ছে আদালত প্রাঙ্গন বঞ্চিতের স্বীকার। প্রতিটি এজলাসের দরজায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে সনদ প্রাপ্ত ব্যতীত প্রবেশ নিষেধ। রবিবার থেকে শুদ্ধি অভিযানের জন্য আদালত পাড়ায় মাইকিং সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চলবে।
যার দরুন আইন পেশার মতন এমন মহান পেশায় যারা প্রকৃত শেখার স্বার্থে এসেছে বিশেষ করে পরীক্ষা প্রাপ্ত নয় কিংবা এমসিকিউ কিংবা রিটেন উত্তীর্ণ এমন ভবিষ্যৎ আইনজীবীদের লাইসেন্স প্রাপ্ত হওয়ার পর আইন অঙ্গনে ব্যপক অবদান রাখার স্বার্থ ব্যহত হচ্ছে।
এমতাবস্থায় বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবীদের মতামত হইলো, যে যার যার সিনিয়রদের সাথে থাকলে এবং আইনজীবী সেরেস্তার টেবিলে অনেক শিখতে পারবে। আপাতত করোনাকালীন সময়ে যেহেতু আইনজীবীদের মামলা ব্যতীত আদালতে প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে, সে ক্ষেত্রে শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের আপাতত তাদের টেবিলে ও সিনিয়রদের সাথে শুধু শেখার পরামর্শ।
কিন্তু এমনিতেই বার কাউন্সিল এবং বার এসোসিয়েশন মাধ্যমে শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের ট্রেনিং এর ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় একমাত্র শেখার মাধ্যম হিসেবে আদালত প্রাঙ্গনের কার্যক্রম দেখে শেখার যে অবশিষ্ট সুযোগ ছিল তাও এখন হুমকির সম্মুখীন।
বিষয়টি নিয়ে জেলা বার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আনোয়ার পার্ভেজ লিমন জানায়, তিনি সিরাজগঞ্জ জেলা বারের এমসিকিউ উত্তির্ন শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের তালিকা সংগ্রহের মাধ্যমে বিষয়টি বিবেচনায় নিবেন।
রাহুল কুমার,সিরাজগঞ্জ জেলা আদালত প্রতিনিধি।
Discussion about this post