ডেস্ক রিপোর্ট
কর্মব্যস্ত আইনজীবীদের শিশুকে রাখা এবং তত্বাবধানের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতিতে (বার অ্যাসোসিয়েশন) সুসজ্জিত ডে-কেয়ার সেন্টার প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি দিনক্ষণ ঠিক করে উদ্বোধন করা হবে। এই ডে-কেয়ার সেন্টারে কর্মজীবী ও আইনজীবী মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে নিরাপদে রেখে পেশা পরিচালনা করতে পারবেন।
যেখানে রয়েছে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে সার্বক্ষণিক সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার ব্যবস্থা। এতে তারা সবসময় যেকোনো স্থান থেকে তাদের সন্তানদের দেখাশোনা করতে পারবেন। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেবকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এই অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত ডে-কেয়ার সেন্টার। যেখানে সার্বক্ষণিক দেখাশোনা করার জন্য থাকবে দুটি সিসি ক্যামেরা।
আইনজীবী মায়েদের ছোট্ট সন্তানদের দিবাকালীন দেখাশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, ছবি আঁকা, অক্ষর পরিচিতি, ছড়া শেখা ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন ও সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কার্যকরী কমিটির (২০২০-২১) এটি একটি সাফল্য বলে দাবি করছেন তারা।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জাগো নিউজকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের কল্যাণে এই ডে কেয়ার সেন্টার সুসজ্জিতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। বিশেষ করে মা আইনজীবীরা যাতে তাদের শিশুদের এখানে রেখে পেশা পরিচালনা করতে পারেন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য ব্যারিস্টার মারইয়াম খন্দকার গণমাধ্যমকে বলেন, একটি ডে-কেয়ার আগে থেকেই ছিল তবে সেটি নামমাত্র।
সেন্টারটি সুসজ্জিতভাবে প্রস্তুত করার জন্য গত ডিসেম্বর মাস থেকে কাজ শুরু হয়। বর্তমানে এটি উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে শিশুরা যাতে নিরাপদে থাকতে পারে সেজন্য টাইলস, এসি এবং সুন্দর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, একজন চাইল্ড হেলথ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে শিশুদের মেধা বিকাশে যাতে কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকে সেজন্য একজন প্রফেশনাল তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দেয়া হবে। যিনি সার্বক্ষণিক একজন ইনচার্জ হিসেবে থাকবেন। তার অধীনে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদারকি করবে।
সুন্দর বিছানা, শিশুদের খাওয়া, খেলাধুলা এবং সব ধরনের সুব্যবস্থা রাখা হবে সেন্টারটিতে। সুপ্রিম কোর্টের ছুটি, সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতি কর্মদিবসের সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ডে-কেয়ার সেন্টারটির কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
শিশুদের জন্য দিবাকালীন বিশ্রামের ব্যবস্থাও থাকছে।মারইয়াম খন্দকার আরও বলেন, আইন কর্মজীবী মায়েরা শিশু সন্তানদের নিরাপদ স্থানে ও সুন্দর পরিবেশে রেখে নিশ্চিন্ত মনে যাতে কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে পারেন তার সুব্যবস্থা এখানে থাকবে।
Discussion about this post